স্বাধীন খ্রিস্টীয় সাধু
সুন্দর সিং ১৮৮৯ সালে পাটিয়ালার রামপুরে এক ধনী শিখ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন, এবং এমন স্বাচ্ছন্দ্যের মধ্যে বড় হন যা তাঁকে ভেতরে অস্থির করে রেখেছিল। যৌবনে তিনি খ্রিস্টের কাছে আসেন, এবং ১৯০৫ সালে সিমলায় বাপ্তিস্ম নেন। তারপর তিনি এমন কিছু করলেন যা প্রায় কেউ চেষ্টা করেনি: তিনি হিন্দু সাধুর গেরুয়া বস্ত্র রাখলেন, কিন্তু তা পরলেন একজন খ্রিস্টান হিসেবে — এমন এক সাধু যাঁর কিছুই ছিল না, কোনো মিশনের অধীন নন, যিনি উত্তর ভারতের পথ ও হিমালয়ের গিরিপথ পেরিয়ে তিব্বত পর্যন্ত মানুষকে যিশুর কথা বলে চললেন। কালক্রমে তাঁর যাত্রা ভারত ছাড়িয়ে বহু দূরে ছড়িয়ে পড়ে, এবং বহু মানুষ যাঁকে প্রেরিত ও সাধু বলত, তাঁকে শুনতে ভিড় জমাত।
তিনি সুসমাচার বহন করলেন যেমন এক খালি-পায়ের পথিক চেনা মাটির কলসিতে জল বহন করে — পাত্রটি ছিল সেটিই যা তাঁর লোকেরা আগে থেকেই বিশ্বাস করত, তাই তার ভেতরে যা ছিল তা তারা গ্রহণ করত।
- ১৮৮৯ সালে পাটিয়ালার রামপুরে এক ধনী শিখ পরিবারে জন্ম
- যৌবনে খ্রিস্টের কাছে আসেন এবং ১৯০৫ সালে সিমলায় বাপ্তিস্ম নেন
- একজন খ্রিস্টান হিসেবে সাধুর গেরুয়া বস্ত্র পরলেন — কিছুই নিজের না রেখে, সম্পূর্ণভাবে প্রচারে নিবেদিত
- উত্তর ভারত ও হিমালয় পেরিয়ে তিব্বত পর্যন্ত হাঁটলেন, পরে ইউরোপ, আমেরিকা ও সুদূর প্রাচ্য পর্যন্ত যাত্রা করলেন
Sources: streeter-appasamy-sadhu p.17 · streeter-appasamy-sadhu p.26