ডোহনাভুর কোনো পরিকল্পনা হিসেবে নয়, বরং একটা উদ্ধার হিসেবে শুরু হলো। যখন মন্দির-উৎসর্গ থেকে পালানো এক ছোট মেয়ে ১৯০১ সালে এমি কারমাইকেলের কাছে পৌঁছাল, এমন শিশুদের আশ্রয় দেওয়ার কাজ বাকি সবকিছুকে ছাপিয়ে গেল। ১৯২৫ সাল নাগাদ এটা এতটাই আলাদা হয়ে উঠল যে যেসব সোসাইটির সঙ্গে এটা যুক্ত ছিল তাদের থেকে আলাদা হলো, আর ১৯২৭ সালে এটা নিজের নামে ডোহনাভুর ফেলোশিপ হিসেবে নিবন্ধিত হলো — বিপদে পড়া শিশুদের রক্ষা করতে আর তাদের সেবার জন্য মানুষ করতে জড়ো হওয়া এক পরিবার।
এটা গড়ে উঠল সেই ভাবে যেমন একটা পরিবার দরজায় পাওয়া এক পরিত্যক্ত শিশুকে ঘিরে গড়ে — কোনো কমিটি এটা ঠিক করেনি; একটা শিশু কেবল এসে পড়ল, আর তাকে ফিরিয়ে দেওয়া গেল না।
ঐতিহ্য
অঞ্চল
প্রতিষ্ঠাতা
কেন্দ্র
তারা কী করেছিল
- এমি কারমাইকেলের মন্দির-সেবায় উৎসর্গীকৃত শিশুদের উদ্ধার থেকে গড়ে উঠল, ১৯০১ সালে শুরু হয়ে
- ১৯২৫ সালে পুরনো সোসাইটিগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করল আর ১৯২৭ সালে ডোহনাভুর ফেলোশিপ হিসেবে নিবন্ধিত হলো
- নৈতিক বিপদে পড়া শিশুদের বাঁচাতে আর তাদের অন্যদের সেবার জন্য মানুষ করতে এগোল, কয়েকটা দেশ থেকে সদস্য টানা এক বড় পরিবার হয়ে
মানুষ
Sources: carmichael-chance-to-die p.171 · carmichael-chance-to-die p.280 · carmichael-chance-to-die p.281